মো. আরকান, পেকুয়া;
কক্সবাজারের পেকুয়ায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল যেন উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার ভেতরের দুর্বলতাগুলোকে একসঙ্গে সামনে এনে দিয়েছে। উপজেলার ১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৩৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৬৫০ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৬৮৯ জন। ফলে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশে। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের অর্ধেকেরও বেশি উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
একই সময়ে একই উপজেলার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১০টি প্রতিষ্ঠানে দাখিল পরীক্ষায় ৪৭২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এসএসসির সঙ্গে দাখিলের পাসের হারের ব্যবধান ২২ দশমিক ২২ শতাংশীয় পয়েন্ট।
ফলাফলের এই ব্যবধানই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন সামনে এনেছে—একই উপজেলা, একই শিক্ষাবর্ষ, একই সামাজিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতায় এসএসসির ফল কেন এতটা পিছিয়ে পড়ল?
শুধু প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়া বা শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ঘাটতি দিয়ে কি এর ব্যাখ্যা সম্ভব? নাকি এর পেছনে রয়েছে নিয়মিত পাঠদানের ঘাটতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, অভিভাবকের নজরদারি, বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা, একাডেমিক তদারকির ঘাটতি এবং প্রতিষ্ঠানভেদে ব্যবস্থাপনার বড় পার্থক্য? ফলাফল বিশ্লেষণ ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে একাধিক সম্ভাব্য কারণ উঠে এসেছে।
পেকুয়ার এবারের এসএসসি ফলাফলের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো ৬৮৯ জন শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া। ১ হাজার ৩৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫০ জন পাস করলেও ৬৮৯ জন অকৃতকার্য হয়েছে। অর্থাৎ পাস করা শিক্ষার্থীর চেয়েও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি।
এটি শুধু একটি ফলাফল নয়; শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কসংকেত। কারণ একটি উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী এসএসসিতে উত্তীর্ণ হতে না পারলে তাদের শিক্ষাজীবনের পরবর্তী ধাপ, উচ্চশিক্ষায় প্রবেশ এবং কর্মমুখী প্রস্তুতিতে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
বিশেষ করে অকৃতকার্যদের বড় অংশ যদি গণিত ও ইংরেজির মতো মৌলিক বিষয়ে দুর্বল হয়ে থাকে, তাহলে সমস্যাটি শুধু দশম শ্রেণির পরীক্ষার প্রস্তুতির নয়; এর সঙ্গে আগের শ্রেণিগুলোতে ভিত্তি তৈরি হওয়ার প্রশ্নও জড়িত।
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পেকুয়ার ১২টি এসএসসি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ছয়টির পাসের হার ৫০ শতাংশের ওপরে। বাকি ছয়টি প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে।
সবচেয়ে কম পাসের হার রাজাখালী ফৈজুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজে—৩১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে উজানটিয়া খান বাহাদুর উচ্চ বিদ্যালয়—৩১ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
এ ছাড়া রাজাখালী এয়ার আলী খান আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৩ দশমিক ১৩ শতাংশ, মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৬ দশমিক ১১ শতাংশ, হোসনে আরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং বারবাকিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৫ দশমিক ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
অন্যদিকে, সর্বোচ্চ পাসের হার টইটং ইক্বরা স্কুল অ্যান্ড কলেজে—৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। অর্থাৎ উপজেলার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন পাসের হারের মধ্যে ব্যবধান ৩৫ দশমিক ১৯ শতাংশীয় পয়েন্ট।
এই বিশাল ব্যবধানই বলে দিচ্ছে, শুধু উপজেলার সামগ্রিক ফলাফল দিয়ে পেকুয়ার শিক্ষা ব্যবস্থার প্রকৃত চিত্র বোঝা সম্ভব নয়। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক কারণ অনুসন্ধান করাই এখন জরুরি।
পাসের হারে শীর্ষে থাকা টইটং ইক্বরা স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক আমির হোছাইন তাঁদের ফলাফলের পেছনে নিয়মিত ক্লাস, উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাসের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কারণে লেখাপড়ায় বিমুখ হয়ে পড়ছে। তাই বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্লাসের পড়া আদায় করা হয়। কোনো শিক্ষার্থী একদিন অনুপস্থিত থাকলেও অভিভাবকদের ফোন করে জানানো হয়।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি দুর্বল ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস নেওয়া হয়।
এই ব্যবস্থাপনার দিকে তাকালে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আসে—শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা পরীক্ষার আগে নয়, বছরজুড়েই চিহ্নিত করা হচ্ছে।
এখন প্রশ্ন, কম ফল করা প্রতিষ্ঠানগুলোতে একই ধরনের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ, অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা কতটা কার্যকরভাবে রয়েছে?
পেকুয়ার এসএসসি ফলাফলে আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে চোখে পড়েছে—জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে প্রতিষ্ঠানভেদে বড় পার্থক্য।
পেকুয়া সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশন থেকে ৩১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পেয়েছে ১২ জন, শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন এবং মেহেরনামা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনজন।
অর্থাৎ একদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জিপিএ-৫ তৈরিতে এগিয়ে থাকলেও অন্যদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পাসের হার ৪০ শতাংশের নিচে নামিয়ে ফেলেছে। এটি পেকুয়ার মাধ্যমিক শিক্ষায় প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সক্ষমতার বড় বৈষম্য নির্দেশ করছে।
সবচেয়ে কম পাসের হার পাওয়া রাজাখালী ফৈজুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিনের বক্তব্যেও উঠে এসেছে পাঠদান ব্যাহত হওয়ার বিষয়।
তিনি জানান, বিদ্যালয়ে প্রায় দেড় মাস সেনাবাহিনী অবস্থান করায় নিয়মিত ক্লাস করা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি অভিভাবকদের অসচেতনতাকেও তিনি ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ফলাফল বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে দ্রুত শিক্ষক, অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তবে এই বক্তব্যের সঙ্গে আরও একটি প্রশ্ন জড়িত—পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের ঘাটতি পূরণে বিকল্প একাডেমিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না?
কারণ দীর্ঘ সময় নিয়মিত পাঠদান না হলে তা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কতটা প্রভাব ফেলেছে, সেটি তথ্য দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।
ফলাফল বিশ্লেষণ ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ গণিত ও ইংরেজিতে ফেল করেছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, এ দুটি বিষয়ে দুর্বলতা সাধারণত একদিনে তৈরি হয় না। মাধ্যমিকের নিচের শ্রেণিগুলোতে ভিত্তি দুর্বল থাকলে দশম শ্রেণিতে গিয়ে শুধু কোচিং বা পরীক্ষামুখী প্রস্তুতি দিয়ে তা পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা কঠিন।
তাই পেকুয়ার ফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ জানতে হলে শুধু এসএসসি ফল নয়, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার ফলাফলও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
কোন শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা তৈরি হচ্ছে, কোন বিষয়ে শিক্ষক সংকট বা পাঠদানে ঘাটতি রয়েছে, নিয়মিত পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর বের করা জরুরি।
পেকুয়ার প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক—তিন পক্ষের আন্তরিকতার ঘাটতি ফলাফলে প্রভাব ফেলছে।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বলতে গেলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবক কেউ আন্তরিক নয়। শিক্ষকরা এখন দায়সারা হয়ে গেছেন, তাছাড়া গ্রামের অভিভাবকরাও ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার বিষয়ে সজাগ নন।’
ফল বিপর্যয়ের অন্য কারণ হিসেবে মোবাইলের অপব্যবহার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তাঁর বক্তব্যে মূলত যে বিষয়টি উঠে এসেছে তা হলো—শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য শুধু শিক্ষার্থীকে দায়ী করলে সমস্যার সমাধান হবে না; শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষক, পরিবার ও শিক্ষার পরিবেশ—সবকিছুকে একসঙ্গে দেখতে হবে।
পেকুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানে ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে বসে কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি জানান, এবারের ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ আগের বছরের তুলনায় পরীক্ষা স্বচ্ছভাবে পরিচালনা এবং কয়েকটি বিষয়ে প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়া।
তবে প্রতিষ্ঠানভেদে ফলাফলের বড় ব্যবধানের কারণে সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ মনে করছেন, পরীক্ষার কঠিনতা ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ব্যবস্থাপনা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির বিষয়গুলো আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা দরকার।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যেরকম পরীক্ষা দিয়েছে, সেরকম তো ফলাফল হবে। তবে ফলাফল দেখে মনে হচ্ছে শিক্ষার গুণগত মান খারাপ হয়েছে।’
তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা শিক্ষা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষা কমিটির মাধ্যমে ফলাফল পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি তাই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এসএসসির ফল যেখানে ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ, সেখানে দাখিলে ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। দাখিলে ৪৭২ জনের মধ্যে ৩৩৪ জন পাস করেছে। সর্বোচ্চ পাসের হার রাজাখালী বি.ইউ.আই. কামিল মাদ্রাসায়—৯১ দশমিক ০৮ শতাংশ।
এ ছাড়া পেকুয়া আদর্শ মহিলা মাদ্রাসায় ৮২ দশমিক ৭৫ শতাংশ, ফাঁশিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় ৮১ দশমিক ৫৮ শতাংশ, মেহেরনামা আলমাহমুদিয়া মাদ্রাসায় ৭৪ দশমিক ১৯ শতাংশ এবং বটতলী শফিকিয়া মাদ্রাসায় ৭৩ দশমিক ০৭ শতাংশ পাস করেছে।
দাখিলের এই ফল এসএসসির সঙ্গে তুলনা করলে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়—একই উপজেলার শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষা ব্যবস্থাপনার কোন পার্থক্য এত বড় ফলাফলের ব্যবধান তৈরি করছে?
পেকুয়ার ২০২৬ সালের এসএসসি ফলাফল নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। কিন্তু এই ফলাফলকে শুধু ব্যর্থতার পরিসংখ্যান হিসেবে দেখলে সমস্যার সমাধান হবে না। ৬৮৯ জন অকৃতকার্য শিক্ষার্থী আসলে পেকুয়ার শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সতর্কবার্তা।
একই উপজেলার একটি প্রতিষ্ঠান যখন ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থীকে পাস করাতে পারে, তখন অন্য প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ৩১ দশমিক ৪৮ শতাংশে নেমে যাওয়ার কারণ অবশ্যই খুঁজে বের করতে হবে।
এ জন্য প্রয়োজন অভিযোগ নয়, তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধান। কতদিন ক্লাস হয়েছে, কতজন শিক্ষক নিয়মিত ক্লাস নিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কত ছিল, কোন বিষয়ে কতজন অকৃতকার্য হয়েছে, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, অভিভাবকদের সঙ্গে কতবার যোগাযোগ হয়েছে—এসব প্রশ্নের উত্তর বের করতে পারলেই স্পষ্ট হবে পেকুয়ার ফল বিপর্যয়ের আসল চিত্র।
কারণ ফলাফল খারাপ হওয়া একটি ঘটনা; কিন্তু কেন খারাপ হলো, সেটি খুঁজে বের করাই প্রকৃত দায়িত্ব।
